ফল উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান শীর্ষে

faal-400x221গত দশ বছরে দেশে সব ধরণের ফলের উৎপাদন বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি, পাশাপাশি উৎপাদন বৃদ্ধির দিক দিয়েও বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান এখন শীর্ষে। এক্ষেত্রে বালাই দমনে কৃষি বিভাগের সহায়তার পাশাপাশি অন্যান্য ফসলের তুলনায় বেশি লাভজনক হওয়ায় ফল চাষে আগ্রহ বেড়েছে বলে মত কৃষকদের।

যদিও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, বছরজুড়ে ফল উৎপাদন অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ফল রপ্তানির নতুন বাজার সৃষ্টিতেও নানামুখী তৎপরতা চালাচ্ছে সরকার।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মতে, একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের দৈনিক ২০০ গ্রাম ফলমূল খাওয়া বাধ্যতামূলক। নিয়ম মেনে ভোক্তাপর্যায়ে ফলমূল ক্রয়ের প্রতি তাই রয়েছে আলাদা চাহিদা। তবে, ফল চাষে পর্যাপ্ত সম্ভাবনা থাকার পরও এটিই চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, যখন দেখা যায়, দেশের বাজারে সচরাচর পাওয়া যায় এমন ২৭ টি ফলের অধিকাংশই আমদানি নির্ভর।

তবে আশার কথা হলো, সম্প্রতি বৈশ্বিক কৃষি উৎপাদন বিষয়ক এক প্রতিবেদনে এফএও বলছে, গত দুই বছরে বাংলাদেশে সব ধরণের ফলের উৎপাদন বিশ্বের বেশিরভাগ দেশের তুলনায় দ্রুত বেড়েছে। সরেজমিনে গাজীপুর অঞ্চলের ফলচাষীদের সঙ্গে কথা বলেও জানা যায়, অনেক চাষি ধানের মতো চাহিদা সম্পন্ন ফসল বাদ দিয়ে আগ্রহী হয়েছেন ফল চাষে।

তবে, ফল উৎপাদন বৃদ্ধির বিষয়টিকে কৃষি বিভাগের সফলতা হিসেবেই দেখছে সরকার। যদিও বছর জুড়ে ফল চাষাবাদের পাশাপাশি কৃষকদেরকে উৎপাদিত ফলের ন্যায্যমূল্য পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত না করা গেলে রফতানি বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবেনা বলেও মনে করছে কৃষি অধিদপ্তর।

২০১৪-১৫ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো যুক্তরাজ্যে আম রপ্তানি শুরু করেছে বাংলাদেশ, এরই মধ্যে দেশটি বাংলাদেশ থেকে আমলকী, পেয়ারা, কুলসহ নানা ধরণের ফল ক্রয়ের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সময় টিভি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *