সিসি ক্যামেরা খুলে নিচ্ছে অপরাধীরা

imagesচট্টগ্রামে অপরাধীদের এবার নজর ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায়। বিভিন্ন বাসা-বাড়িতে লাগানো কয়েকটি ক্যামেরা এরই মধ্যে খুলে নিয়ে গেছে অপরাধীরা। আবার খুলে নিয়ে যাবার সেই দৃশ্য সনাক্ত হওয়ায় কারণে ধরাও পড়েছে কয়েকজন। এদিকে পুলিশের লাগানো ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরাও এখন ঝুঁকির মুখে। অন্য দিকে সিটি কর্পোরেশনের বিলবোর্ড উচ্ছেদ অভিযানের সময় বন্ধ হয়ে গেছে অর্ধেক ক্যামেরা।

গেল ২ ফেব্রুয়ারি রাতে চট্টগ্রামের ফিরিঙ্গী বাজারে আলমের ভবনে উঠে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা খুলে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। একইভাবে চুরি হয় পাথরঘাটা আরসি/৪ ফ্লোরের একটি বহুতল ভবনের স্থাপিত ক্যামেরাও।
তবে চুরির আগে রয়ে যায় অপরাধীর চেহারা। ফলে ছবি দেখে আলী আজগর এবং সিরাজুল আলম মোস্তফা নামে দুই জনকে আটক করে পুলিশ।

ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা চুরির দুটি ঘটনাই ঘটে কোতোয়ালী থানা এলাকায়। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বসত-বাড়িতে লাগানো ক্যামেরাগুলোই এখন টার্গেটে পরিণত হয়েছে অপরাধীদের।

চট্টগ্রাম কোতোয়ালী থানার ওসি জসিম উদ্দিন বলেন, ‘কিছু কিছু ক্ষেত্রে সিসি টিভি খোলার একটা চেষ্টা দেখা যাচ্ছে। সুতরাং এখন আমরা আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজন যারা বাইরে দায়িত্ব পালন করে আমরা তাদেরকে স্পেশালি সিসি টিভি যে অঞ্চলে আছে, রাতের বেলায় দায়িত্ব পালন করার সময় সিসি টিভির দিকে নজর রাখার জন্য ইতিমধ্যে নির্দেশনা দিয়েছি’।
শুধু চুরিই নয় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের স্থাপন করা ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরাগুলোও অকার্যকর হয়ে পড়েছে। সিটি কর্পোরেশনের বিলবোর্ড উচ্ছেদ অভিযানে কাটা পড়েছে সংযোগ। তাই ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে ৪৭টি ক্যামেরা।

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার দেবদাস ভট্টাচার্য বলেন, ‘অনেকগুলো ক্যামেরার তার ছিড়ে গেছে আবার অনেকগুলো ক্যামেরা সরিয়ে নিতে হয়েছে। বিলবোর্ড উচ্ছেদ অভিযান শেষ হয়ে গেলে সিটি কর্পোরেশনের সাথে যোগাযোগ করব তারা যদি লাগিয়ে দেয় ভাল তা নাহলে তাদের সাথে যোগাযোগ করে কিভাবে অতিদ্রুত সিসি ক্যামেরাগুলো আবার লাগানো যায় সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করব’।

২০১৪ সালে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ ২৬টি স্পটে ৯৯ টি ক্যামেরা স্থাপন করে সিএমপি। যা অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক ভাবে কাজ করছে।
চ্যানেল ২৪.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *