চীনের কাছে আরো হাতি বিক্রি করবে জিম্বাবুয়ে

13_Elephant_1জিম্বাবুয়ে হাতির সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রাণীটির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা ও খাদ্যের অভাব যাতে সৃষ্টি না হয় তাই গত এক বছর ধরে চীনে হাতি বিক্রি করে আসছে দেশটি। জিম্বাবুয়ে হাতি রয়েছে ৮০ হাজার। কিন্তু খাদ্য, পরিবেশের সাথে তাল মিলিয়ে এর অর্ধেক হাতি জিম্বাবুয়ে বাস করতে পারে। বনবিভাগ কর্তৃপক্ষ বলছে, চীনে এজন্যে অন্তত দশ লাখ ডলারের হাতি বিক্রি করা হয়েছে। এ খবর দিয়েছে কোয়ার্টজ।

এদিকে জিম্বাবুয়ের হাতি বিক্রির সমালোচনা করেছে প্রাণী অধিকার রক্ষা সংগঠনগুলো। গত বছর চীনে, জিম্বাবুয়ে ২৪টি হাতি বিক্রি করে। এ বিক্রির বিষয়টিকে সংগঠনগুলো নিষ্ঠুর বলে অভিহিত করছে। সমালোচনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক বিধি অনুসারে এধরনের প্রাণী বিক্রিতে কোনো বাধা নেই।

এদিকে জিম্বাবুয়ের ন্যাশনাল পার্ক ও বন্যপ্রাণী কর্তৃপক্ষের মহাপরিচালক এডসন সিডজিয়া বলেছেন, চীনে যে ২৪টি হাতি বিক্রি করা হয়েছে তার মধ্যে মাত্র একটি মারা গেলেও বাকি হাতিগুলো স্বাভাবিকভাবেই অবস্থায় বেঁচে আছে। প্রাণী অধিকার রক্ষা সংগঠনগুলো বলছে ভিন্ন পরিবেশে হাতিগুলোকে অন্যত্র পাঠানো হলে তারা নাও বাঁচতে পারে। এছাড়া চীনের বিরুদ্ধে হাতির দাঁত দিয়ে বিভিন্ন অলঙ্কার ও তৈজস পত্র তৈরি করে বিক্রির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এজন্যে হাতি পাচার করে চীন সহ অন্যান্য দেশে পাঠানো হয়।

জিম্বাবুয়ে চীন ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের দেশুগলোতে হাতি বিক্রি করবে। এর ফলে হাতি বিক্রি করে রফতানি আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রাণীটির পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষা নিশ্চিত করা যাবে। জিম্বাবুয়ে থেকে বছরে ৮ হাজার হাতি জ্যান্ত ও বধ করার পর তা পাচার হয়ে যায় প্রতিবছর।

শুধু জিম্বাবুয়ে নয় তাঞ্জানিয়ার অন্তত ষাট ভাগ হাতি পাচার হয়ে গেছে। কেনিয়ায় গত পাঁচ বছর ধরে হাতি রক্ষায় বন্দুকধারী পাহারাদার নিযুক্ত করা হয়েছে যাতে তারা হাতি পাচারকারীকে দেখামাত্র গুলি করতে পারে। এসব পাহারাদারকে গ-ার পাচারকারীদের দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *