লাটভিয়ায় বোরকা নিষিদ্ধ

burka-law-Latvia_-amir-400x266দেশটিতে বোরকা পড়েন মাত্র তিনজন। তাই সহ্য করতে পারলেন না কর্তৃপক্ষ। ফ্রান্সের পর এবার বোরকা নিষিদ্ধে আইন করেছে ইউরোপের দেশ লাটভিয়া। প্রকাশ্য স্থানে এই ধর্মীয় পোশাকটি পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে করা নতুন ওই আইনটি ২০১৭ সাল থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। দেশটিতে বোরকা পরিহিত নারীর মোট সংখ্যা তিনজন।

লাটভিয়ার সংস্কৃতি সংরক্ষণ এবং পোশাকের আড়ালে সন্ত্রাসীদের অস্ত্র বহন ঠোকতেই নতুন এ আইনটি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এর আগে ২০১১ সালে প্রকাশ্য স্থানে বোরকা পরা নিষিদ্ধ করে ইউরোপের আরেক দেশ ফ্রান্স। চলতি সপ্তাহে বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ধরনের হেডস্কার্ফ নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা জানিয়ে বিতর্কের ঝড় তুলেছেন ফরাসি প্রধানমন্ত্রী ম্যানুয়েল ভলস।

লাটভিয়ার আইনমন্ত্রী জিনটার রাসনাকস জানান, মুসলিম নারীদের এই ঐতিহ্যগত পোশাকটি পরা ঠেকাতে নয়; বরং লাটভিয়ায় বিদেশিদের কাছে দেশের মূল্যবোধ তুলে ধরতেই আইনটি করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘একজন আইনপ্রণেতার কাজ এসব বিষয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়া। আমরা শুধু লাটভিয়ার সংস্কৃতিই সংরক্ষণ করছি না, পুরো ইউরোপের সংস্কৃতিই সংরক্ষণ করছি।’

বোরাক নিষিদ্ধের বিষয়ে লাটভিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ভাইরা ভিকে ফ্রেবারগা বলেন, এই সময়ে বোরকা পরা সমাজের জন্য বিপজ্জনক। বোরকায় লুকিয়ে যে কেউ একটা রকেট লাঞ্চার পর্যন্ত বহন করতে পারে।

উল্লেখ্য, লাটভিয়া ইউরোপের ছোট একটি দেশ। এর জনসংখ্যা মাত্র ২০ লাখ, যার মধ্যে মুসলিম রয়েছে এক হাজারের মতো। ইউরোপীয় ইউনিয়নের শরণার্থী পুনর্বাসন পরিকল্পনার আওতায় আগামী দুই বছরে ৭৭৬ জন শরণার্থী নেয়ার কথা রয়েছে দেশটির।

নিউইয়র্ক টাইমস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *