বার্ধক্য ঠেকাতে শরীরে তরুণের রক্ত!

souris-laboratoire বার্ধক্য ঠেকাতে শরীরে তরুণের রক্ত নিলে ফের সজীব হয়ে ওঠা যায় এধরনের গল্প সিনেমায় অনেক দেখেছেন। বার্ধক্যের কারণে শরীরের রক্তকোষ পুরোনো হয়ে গেলে তা মৃত্যুর কাছাকাছি চলে যায় বলে, তরুণের রক্ত নিলে তা পূরণ হয়ে যায়। একটি সিনেমায় বেঞ্জামিন বাটনের এমন এক গল্প এখন বৈজ্ঞানিকভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষার পর এখন সত্যি সত্যি বাস্তবে রুপ নিতে যাচ্ছে। বৈজ্ঞানিকরা ইঁদুরের ক্ষেত্রে বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখেছেন। আশানুরুপ ফলও পেয়েছেন।

এখন যদি তরুণদের রক্ত বৃদ্ধদের শরীরে দিয়ে বার্ধক্য ঠেকানো যায় তাহলে বার্ধক্যজনিত মুখের বলিরেখা দূর করতে ক্রীমগুলো কি আগামী ১০ বছরে বাজার থেকে উঠে যাবে। শুধু মাত্র ফ্রান্সেই বর্তমানে বার্ধক্যজনিত রোগ আলঝেইমার’এ ৯ লাখ মানুষ ভুগছে। তাদের অনেকে স্মৃতিভ্রষ্ট হয়ে গেছেন।

ফ্রান্সের আলখায়েস্ট নামে একটি বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠান তরুণদের রক্ত বার্ধক্যদের শরীরে সরবরাহ করলে কি পরিস্থিতি দাঁড়ায় তা নিয়ে রীতিমত গবেষণা করছে। দুটি ইঁদুরের শরীরে এধরনের পরীক্ষা করা হয়েছে। ইঁদুরগুলোর একটি বয়স্ক ও আরেকটি তরুণ। দুটি ইঁদুরের রক্তের গ্রুপও এক।

এখন যদি তরুণ ইঁদুরটির রক্তে যে প্লাজমা রয়েছে তা বয়স্ক ইঁদুরটির ভেতরে বাড়তি শক্তি ও তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হলে মনে করতে হবে প্রাণীটি নবজীবন লাভ করছে।xOXT99TBUgROWqbDvIoCvqogTo1

দ্বিতীয় গবেষণায় প্রতিষ্ঠানটি ১৮ বছরের এক তরুণের রক্ত ১২ মাসের ইঁদুরের শরীরে প্রয়োগ করা হয়। এর ফলে ইঁদুরটির মধ্যে চাঞ্চল্য দেখা যায় এবং প্রাণীটি ৩ মাস বয়সের ইঁদুরের মত আচরণ দেখাতে শুরু করে। কারণ তার সেরিব্রাল কার্যক্রম বেড়ে যায়।

প্রতিষ্ঠানটির এক বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সাকুরা মিনামি বলেন, পরীক্ষামূলক প্রমাণ পাওয়া গেছে যে তরুণ ইঁদুর বা মানুষের শরীরের রক্ত বৃদ্ধ ইঁদুর বা মানুষের শরীরে প্রবেশ করালে তা উদ্দীপক ফলাফল বয়ে আনে। এমনকি পরীক্ষামূলকভাবে এক তরুণের রক্ত বয়স্ক এক আলঝেইমার রোগির শরীরে দেয়া হয়েছে। এর ফলাফল যদি ইঁদুরের রক্ত পরিবর্তনের মত ফলাফল বয়ে আনে তাহলে তা হবে গত দশকের মধ্যে ওষুধের ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন।লা বন বন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *